Ticker

6/recent/ticker-posts

Ad Code

Responsive Advertisement

ইসরাইল-সৌদি সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের প্রচেষ্টা: বিতর্ক ও উদ্বেগ

ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে সৌদি আরবের সঙ্গে ইসরাইলের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের উদ্যোগ নিতে পারেন বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। এর আগে প্রথম মেয়াদে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো ও সুদানের সঙ্গে ইসরাইলের সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে আব্রাহাম অ্যাকর্ডস বাস্তবায়ন করেছিলেন তিনি।



ইতিমধ্যে মনোনীত মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভেন উইটকফকে সৌদি আরব সফরে পাঠিয়েছেন ট্রাম্প। গত বুধবার (১১ ডিসেম্বর) ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন উইটকফ। বৈঠকে মার্কিন-সৌদি সম্পর্ক, গাজার যুদ্ধ এবং রিয়াদ-জেরুজালেমের সম্ভাব্য স্বাভাবিকীকরণসহ বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সূত্র।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসরাইল-সৌদি সম্পর্ক স্বাভাবিক হলে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। তবে এর ফলে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার দাবি দুর্বল হতে পারে।

ফিলিস্তিনে বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক। গাজায় গত ১৪ মাস ধরে চলমান সংঘর্ষে আনুষ্ঠানিক হিসাবেই নিহত হয়েছেন ৪৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি। এছাড়াও ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অজস্র মৃতদেহ এবং অবরোধের কারণে অনাহার ও ওষুধের অভাবে মৃত্যুর ঘটনাগুলো হিসাবের বাইরে।

সৌদি আরব বারবার বলে এসেছে, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় দৃশ্যমান অগ্রগতি ছাড়া ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করবে না। রিয়াদের মতে, ফিলিস্তিনের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার উপেক্ষা করে মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা আনা সম্ভব নয়।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে সৌদি রাষ্ট্রদূত প্রিন্সেস রিমা বিনতে বন্দর আল-সৌদও বলেছেন, “ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের অপ্রতিরোধ্য পথ ছাড়া ইসরাইলের সঙ্গে স্বাভাবিকীকরণ অসম্ভব।”

তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের প্রয়াসে সৌদি আরব যদি এ অবস্থান থেকে সরে আসে, তা মুসলিম বিশ্বে তাদের ভাবমূর্তিতে আঘাত হানতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ